নিম্নের বিষয়টি শুনতে পারবেন।
ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
পড়ার চেয়ে যারা শুনতে পছন্দ করেন, তাঁরা এখানে বিষয়টি শুনতে পারবেন।
অনলাইন বা সফট কপি পড়তে অভ্যস্ত নন, তাঁরা ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
১২৫। নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা
এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও
(ক) এই সংবিধানের ১২৪ অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বা প্রণীত বলিয়া বিবেচিত
নির্বাচনী এলাকার সীমা নির্ধারণ, কিংবা অনুরূপ নির্বাচনী
এলাকার জন্য আসন-বণ্টন সম্পর্কিত যে কোন আইনের বৈধতা সম্পর্কে আদালতে প্রশ্ন
উত্থাপন করা যাইবে না;
(খ) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কোন আইনের দ্বারা বা অধীন বিধান-অনুযায়ী কর্তৃপক্ষের
নিকট এবং অনুরূপভাবে নির্ধারিত প্রণালীতে লিখিত অভিযোগ
প্রদানের পূর্বে বা নির্বাচনী দরখাস্ত ব্যতীত [...]১
কোন নির্বাচন সম্পর্কে জনসম্মুখে অভিযোগ বা নেতিবাচক
মন্তব্য বা কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না, এবং
সংসদ আইনের দ্বারা গুরুতর শাস্তিযোগ্য অপরাধ হইবে।
(গ) কোন আদালত,
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হইয়াছে এইরূপ কোন নির্বাচনের
বিষয়ে, নির্বাচন কমিশনকে যুক্তিসংগত নোটিশ ও শুনানির সুযোগ প্রদান না করিয়া, অন্তর্বর্তী বা অন্য কোনরূপে কোন আদেশ বা নির্দেশ প্রদান করিবেন না।
(ঘ) এই
সংবিধানের দ্বিতীয় তফসিল নির্বাচনী
আইন প্রণয়নের ভিত্তি হইবে।
“১। রাষ্ট্রপতি পদে”
“০০। ককককক= নতুন উপধারা বা ধারা, ককককক= সংযুক্ত, [কককক]০০=সংশোধিত বা পরিবর্তিত, ককককক= বিলুপ্ত, ককককক= অপরিবর্তিত"